Translate

Thursday, July 2, 2020

ইন্ডিকেটর কি?

ইন্ডিকেটর এক ধরনের নির্দেশক, যা আপনাকে প্রাইস বাড়বে কি কমবে নির্দেশ করে। যদি আপনার অজানা থাকে যে প্রাইস কি বাড়তে পারে কিংবা কমতে পারে, তবে ইন্ডিকেটর আপনাকে সে ক্ষেত্রে সাহায্য করবে। এটা বিভিন্ন সিগন্যাল দেখায় যার মাধ্যমে আপনি বুঝতে পারবেন যে পরবর্তীতে প্রাইস বাড়বে না কমবে এবং সে অনুসারে ট্রেড করতে পারেন। এছাড়া অনেক ইন্ডিকেটর মার্কেট ট্রেন্ড বুঝতেও আপনাকে সাহায্য করবে।

মনে রাখবেন ইন্ডিকেটর কিন্তু কিছু নির্দিষ্ট ফর্মুলা দিয়ে কাজ করে। তাই আপনি যে সব সময় সঠিক সিগন্যাল পাবেন তা নয়। অনেক সময় ভুল সিগন্যাল আসতে পারে। আবার ফান্ডামেন্টাল নিউজের কারনে ইন্ডিকেটরের সিগন্যাল অনেক সময় কাজ করবে না। তাই অন্ধভাবে ইন্ডিকেটর অনুসরন না করে নিজের অ্যানালাইসিসকে এর সাথে কাজে লাগিয়ে ট্রেড করুন।

অনেক ইন্ডিকেটর রয়েছে। মেটাট্রেডারে ডিফল্টভাবে কিছু ইন্ডিকেটর দেয়া থাকে। যেমনঃ Bollinger Bands, Moving Average, parabolic Sar ইত্যাদি। এছাড়াও অনলাইনে হাজার হাজার ইন্ডিকেটর ফ্রি পাওয়া যায়। আপনি সেগুলো মেটাট্রেডারে যোগ করে নিতে পারবেন। গুগলে Forex indicator লিখে সার্চ করলেই অনেক ইন্ডিকেটর পাবেন।  যেকোনো ইন্ডিকেটর প্রথমে ডেমোতে টেস্ট করে দেখুন। ফলাফল ভাল লাগলে তারপর রিয়েল ট্রেডে ব্যবহার করুন।

ফরেক্সে প্রফিট করার অনেক উপায় রয়েছে। আর আপনি যখন ইন্ডিকেটর নিয়ে কাজ করবেন, এরা আপনার ট্রেডিং টুলবক্সে একেকটি ভিন্ন ভিন্ন টুলস হিসেবে কাজ করবে। আপনার হয়তো ইন্ডিকেটর ব্যবহার করার প্রয়োজন নাও থাকতে পারে, কারন হয়ত আপনি নিজেই অনেক ভাল মার্কেট অ্যানালাইসিস করতে পারেন অথবা আপনার আগে থেকেই পছন্দের ইন্ডিকেটর রয়েছে। কিন্তু নতুন নতুন টুলস আপনার ট্রেডিংকে আরও সমৃদ্ধ করবে এবং আপনি আরও ভালভাবে অ্যানালাইসিস করতে সক্ষম হবেন। কিন্তু খুব বেশি ইন্ডিকেটর ব্যবহার না করাই ভাল। ভিন্ন ভিন্ন ইন্ডিকেটর হয়তো আপনাকে আরও দ্বিধাগ্রস্থ করে তুলবে।

আমরা এখানে যেসব ইন্ডিকেটর নিয়ে আলোচনা করব তা হলঃ

Bollinger Bands
Parabolic Sar
Stochastic
ADX

RSI
আরও অনেক ইন্ডিকেটর রয়েছে। ভবিষ্যতে বিডি ফরেক্স স্কুলে আরো নতুন নতুন ইন্ডিকেটর যুক্ত করা হবে।
শুধুমাত্র একটি ইন্ডিকেটর কখনো অন্ধভাবে অনুসরণ করবেন না। কমপক্ষে ২-৩ টি ইন্ডিকেটর দেখে অ্যানালাইসিস করে ট্রেডের প্রস্তুতি নিন। ইন্ডিকেটর অনেক সময় ভুল সিগন্যাল দেয়।

কিভাবে ফরেক্সে লাভ/লস হয়

ফরেক্স মার্কেটে আপনি বাই (buy) অথবা সেল (sell) করবেন।

একটি ট্রেড খোলা খুবই সোজা। ট্রেড খোলার পদ্ধতি সহজ এবং আপনার যদি স্টক মার্কেটে ট্রেড করার অভিজ্ঞতা থাকে তবে আপনি তা আর তাড়াতাড়ি বুঝতে পারবেন।

মনে করুন আপনি ১.১৮০০ এক্সচেঞ্জ রেটে EUR/USD – তে ১০,০০০ ইউরো কিনলেন $১১,৮০০ ডলার দিয়ে। দুই সপ্তাহ পর EUR/USD এক্সচেঞ্জ রেট বেড়ে ১.২৫০০ হল। তখন আপনি $১২,৫০০ ডলারে তা বিক্রি করলে আপনার লাভ হবে $৭০০ ডলার।

এক্সচেঞ্জ রেট হল একটি কারেন্সির সাপেক্ষে আরেকটি কারেন্সির দামের অনুপাত। যেমনঃ USD/CHF এর এক্সচেঞ্জ রেট নির্দেশ করে, কত ইউ. এস. ডলার এর বিনিময়ে ১ সুইস ফ্রাঙ্ক কেনা যাবে, অথবা ১ ইউ. এস. ডলার কিনতে কত সুইস ফ্রাঙ্ক প্রয়োজন।

কিভাবে ফরেক্স কোটেশন পড়তে হয়

প্রতিটি ট্রেডে আপনি একই সাথে একটি কারেন্সি কিনেন এবং আরেকটি বিক্রি করেন। তাই ফরেক্স মার্কেটে কারেন্সি পেয়ারের দাম কোটেশন এর মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।

স্লাশ (/) এর আগের কারেন্সিকে বলা হয় বেস (base) কারেন্সি এবং স্লাশ (/) এর পরের কারেন্সিকে বলা হয় কোট (quote) কারেন্সি।

এখানে EU Rহল বেস (base) কারেন্সি এবং USD হল কোট (quote) কারেন্সি।

বাই (buy) করার সময়, এক্সচেঞ্জ রেট নির্দেশ করে ১ ইউনিট বেস কারেন্সি কেনার জন্য কত ইউনিট কোট কারেন্সি দিতে হবে। উদাহারনস্বরূপঃ ১ ইউরো কেনার জন্য ১.২৪৬০ ইউ. এস. ডলার দিতে হবে।

সেল (sell) করার সময়, এক্সচেঞ্জ রেট নির্দেশ করে ১ ইউনিট বেস কারেন্সি সেল করলে কত ইউনিট কোট কারেন্সি পাওয়া যাবে। উদাহারনস্বরূপঃ ১ ব্রিটিশ পাউন্ড বিক্রি করলে আপনি ১.২৪৬০ ইউ. এস. ডলার পাবেন।

বেস কারেন্সি হল বাই ও সেল এর মূল ভিত্তি। যদি আপনি EUR/USD বাই করেন, তবে আপনি বেস কারেন্সি EUR কিনছেন এবং একই সাথে কোট কারেন্সি USD বিক্রি করছেন। সহজ কথায়, EUR কেনা, USD বিক্রি করা।

আপনি কারেন্সি পেয়ারটি বাই করবেন যদি আপনি বিশ্বাস করেন যে, কোট কারেন্সির তুলনায় বেস কারেন্সি শক্তিশালী হবে। এর আপনি সেল করবেন যদি আপনি মনে করেন কোট কারেন্সির তুলনায় বেস কারেন্সি দুর্বল হয়ে যাবে।

লং/সর্ট (long/short):

প্রথমে আপনাকে ঠিক করতে হবে আপনি বাই করবেন না সেল করবেন।

আপনি যদি বাই করতে চান (বেস কারেন্সি কেনা এবং কোট কারেন্সি বিক্রি করা), তার মানে আপনি চাচ্ছেন বেস কারেন্সির দাম বেড়ে যাক এবং আপনি সেটা বিক্রি করে দিবেন আরও বেশি দামে। ট্রেডারদের ভাষায় একে বলে লং (long) অথবা লং পজিশন নেয়া। মনে রাখবেন, লং = বাই (long = buy)।

আপনি যদি সেল করতে চান (বেস কারেন্সি বিক্রি করা এবং কোট কারেন্সি কেনা), তার মানে আপনি চাচ্ছেন বেস কারেন্সির দাম কমে যাক এবং আপনি সেটা কিনবেন আরও কম দামে। ট্রেডারদের ভাষায় একে বলে শর্ট (short) অথবা শর্ট পজিশন নেয়া। মনে রাখবেন, শর্ট = সেল(short= sell)।

ব ফরেক্স কোটেশনে ২ টি প্রাইস দেখান হয়। বিড এবং আস্ক। প্রায় সবক্ষেত্রে বিড প্রাইস, আস্ক প্রাইস থেকে কম হয়।

বিড হল এমন একটি প্রাইস যে দামে ব্রোকার কোট কারেন্সির পরিবর্তে বেস কারেন্সি কিনতে চায়। অর্থাৎ, সেল করার জন্য বিড হল সবচেয়ে ভাল প্রাইস।

আস্ক হল এমন একটি প্রাইস যে দামে ব্রোকার কোট কারেন্সির পরিবর্তে বেস কারেন্সি বিক্রি করতে চায়। অর্থাৎ, বাই করার জন্য আস্ক হল সবচেয়ে ভাল প্রাইস।

বিড এবং আস্ক এর পার্থক্যই স্প্রেড (spread) নামে পরিচিত।

EUR/USD -র উপরের কোটেশনে বিড প্রাইস হল 1.3456 এবং আস্ক প্রাইস হল 1.3458.

অর্থাৎ, এখানে স্প্রেড 2 পিপস।

আপনি যদি সেল ক্লিক করেন তবে আপনি 1.3456 -এ সেল করবেন। আর যদি বাই ক্লিক করেন, তবে আপনি 1.3458 -এ বাই করবেন।

ফরেক্স অটো ট্রেডিং বা রোবট (EA) ট্রেডিং ও তার সুবিধা অসুবিধা

যে পদ্ধতিতে আপনার ট্রেডটি সয়ংক্রিয় ভাবে অর্থাৎ নিজে নিজে ট্রেড ওপেন হবে, ট্রেড ক্লোজ হবে, একটি নির্দিষ্ট মানিম্যানেজম্যান ফলো করবে, যেখানে আপনাকে কিছুই করতে হবে না তাই হল অটো ট্রেডিং। এই পদ্ধতিটি হল প্রোগ্রামার এর কোড ভিত্তিক একটি সাজানো পদ্ধতি যেখানে বলে দেওয়া থাকে মার্কেট মুভমেন্ট কি রকম হলে কি পদ্ধতিতে ট্রাডিং হবে, কত পিপ প্রফিট করবে , কত পিপ লস করবে এবং কত ডলার ব্যাল্যান্স থাকলে কত ভলিয়মে ট্রেড ওপেন হবে, সর্বোচ্চ কত ডলার পর্যন্ত রিস্ক নিবে ইত্যাদি ইত্যাদি ট্রেডিং করতে যা যা লাগে সবকিছু। যেহেতু এটি একটি সয়ংক্রিয় পদ্ধতি তাই আমারা অটো ট্রেডিং রোবট ট্রেডিং ও বলে থাকি।

রোবট এর সুবিধাঃ

  • নিজে নিজেই ২৪ ঘণ্টা ট্রেড করবে। (এমনকি সময় নির্ধারণ করা যায়)
  • এটি একটি নির্দিষ্ট সিস্টেমে কাজ করে থাকে ফলে কখনো রুলস ব্রেক হয় না।
  • অসংখ্য সেটিং থাকে যেগুলো নিজের মত সেটিং এর মাধ্যমে পরিচালনা করা যায়।
  • ডাটা এনালাইসিস খুব সল্প সময়ে করার ক্ষমতা থাকে।
  • বেসিক নলেজ দিয়ে যে কোন নতুন ট্রেডার এই পদ্ধতিতে ইনকাম করতে পারেন।
  • নির্দিষ্ট একটি কারেন্সি নিয়ে কাজ করে ফলে ট্রেডিং লস খুব কম হয়ে থাকে। 

রোবট এর অসুবিধাঃ

  • ২৪ ঘণ্টা চালু থাকে এমন পিসিতে সেট করতে হবে। তনুবা ট্রেডিং বন্ধ থাকবে। তাই আলাদা ভাবে VPS সার্ভিস এর মাধ্যমে করতে হয়।
  • সব ব্রোকারে সাপোর্ট পাওয়া যায় না, ফলে আপনার টার্গেট ইনকাম নাও হতে পারে।
  • একটি রোবট সাধারণত একটির বেশি কারেন্সিতে কাজ করতে পারে না। তাই একাধিক কারেন্সি তে রোবট সেট করতে হলে প্রতি কারেন্সির জন্য রোবট ক্রয় করতে হবে।
  • রোবট ট্রেডিং এর ভেতর আপনার ট্রেড করার সুজোগ নেই এতে করে রোবট ফর্মুলা ভুল করে ট্রেড লস করবে।
  • বেশীরভাগ রোবট মার্কেট হাই ভোলাটিলিটিতে ট্রেড করতে পারে না।
  • অনেক নতুন ট্রেডার নিজে না শিখে সরাসরি রোবট এর আশ্রয় নেয় ফলে প্রকৃত পক্ষে ফরেক্স শিখতে পারে না। 

কি কি প্রয়োজন হয়?


যেহেতু এটি একটি স্বয়ংক্রিয় ট্রেডিং পদ্ধতি তাই আপনাকে ট্রেডের সামনে বসে না থাকলেও চলবে তবে এই পদ্ধতিতে ট্রেড করার জন্য কিছু বিষয় লাগে ।

১। VPS- Virtual Private Server
২। EA – Expert Advisor (রোবট)

আপনার পিসি যদি ২৪ ঘন্টা অন রাখতে না পারেন তাহলে আপনাকে ২৪ ঘন্টা অন থাকে এমন পিসিতে কিছু স্পেস নিতে হবে যা VPS নামে পরিচিত অর্থাৎ কিছু কোম্পানি আছে যারা তাদের কম্পিউটার আপনার জন্য ২৪ ঘন্টা চালু রাখবে সে জন্য আপনাকে প্রতি মাসে $১০-$৫০ পরিশোধ করতে হবে। তবে কিছু কিছু ব্রোকার তাদের প্লাটফর্মের ট্রেডারদের ফ্রি এই সুবিধা দিয়ে থাকে সামান্য কিছু শর্তের মাধ্যমে। যেমন রোবোফরেক্স।

দ্বিতীয় , আপনার রোবট সফটওয়্যার থাকতে হবে, এই ক্ষেত্রে এটি আপনাকে ক্রয় করে নিতে হবে, যেহেতু এটি স্পেশাল একটি সফটওয়্যার সিস্টেম তাই এটি ফ্রী নয়। ভিন্ন ভিন্ন ফরেক্স রোবট প্রভাইডাররা তাদের রোবট এর কাজের প্রেক্ষিতে ভিন্ন ভিন্ন দাম নিয়ে থাকে। আপনি $৮০-$২৫০ এর মধ্যে রোবট ক্রয় করতে পারবেন। তবে অনেক রোবট আছে যেগুলো আরো অনেক দামি $১০০০ পর্যন্ত হতে পারে।

রোবট ক্রয়ের ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয়ঃ

আপনি যে অটো ট্রেডিং সিস্টেম (রোবট) ক্রয় করতে চাইছেন তা কতটুকু স্টং, প্রফিটেবল কিংবা কতটুকু রিলায়েবল কিংবা এই অটো সিস্টেম এর কার্যকারিতা আসলে কতটুকু তা বোঝার জন্য আপনাকে কিছু বিষয় দেখে নিতে হবে যা আপনি ওই নির্দিষ্ট রোবটের বিস্তারিত অংশে পেয়ে যাবেন। নিচের পয়েন্টগুলোর আলোকে আপনি একটি ভালো রোবট ক্রয়ের করতে পারেন।

  • Back-test
  • History
  • Profit Factor
  • Draw down
  • Risk Reword Ratio
  • Month Return

কিভাবে EA ইন্সটল করতে হয়?

সাধারণত EA এর জন্য ১-২ টি ফাইল থাকে। মুল EA ফাইলটি আপনার কম্পিটারের Meta Trader এর রুট ফোল্ডার থেকে Experts ফোল্ডারের ভেতরে কপি করে দিতে হবে এবং যদি আরো ফাইল থাকে তাহলে নির্দেশনা অনুযায়ী যে ফোল্ডারে দিতে বলা হবে সেই ফোল্ডারে কপি করে দিবেন। এবং Meta Trader এর Expert Advisors অপশন Enable করে দিতে হবে। এবং ভিবিন্ন ধরনের EA প্যারামিটার সেটিং এর মাধ্যমে আপনি নিজের মত করে রোবট সেট করে দিতে পারবেন।


ফরেক্স রোবট আপনার অনুপস্থিতে ২৪ ঘন্টায় ট্রেড চালিয়ে যাবে সত্যি তবে আবারো বলা যাচ্ছে যে যেহেতু এটি একটি প্রোগ্রামেবল পদ্ধতি তাই মার্কেট কত ভালো বুঝে কত ভালো ভাবে সিস্টেমটি সাজানো হয়েছে তা যদি যাচাই না করে রোবট সেট করে প্রফিট এর আশা করে তাহলে আপনার সেই স্বপ্ন সত্যি নাও হতে পারে। তাই যেকোন রোবট ব্যাবহার এর পূর্বে উপরোক্ত বিষয়গুলোর সাথে সাথে উক্ত রোবট কে অন্তত পক্ষে ৩ মাস ডেমো আকাউন্টে সেট করে এর কার্যকারিতা নিশ্চিত হউন তারপর ফাইনালি লাইভ ট্রেডে সেট করবেন। নতুবা আপনার আশা নিরাশায় পরিণত হতে খুব বেশি সময় নিবে না। প্যারামিটারের তথা আপনার রোবট এর সব গুলো সেটিং বুঝে শুনে তারপর শুরু করেন।

ইন্ডিকেটর কি?

ইন্ডিকেটর এক ধরনের নির্দেশক, যা আপনাকে প্রাইস বাড়বে কি কমবে নির্দেশ করে। যদি আপনার অজানা থাকে যে প্রাইস কি বাড়তে পারে কিংবা কমতে পারে, তবে...